পাকিস্তান থেকে পেঁয়াজ আমদানি করছে বাংলাদেশ

অর্থ ও বাণিজ্য ১১ নভেম্বর : অস্বাভাবিক হারে মূল্য বৃদ্ধিতে অস্থির দেশের পেঁয়াজের বাজার। চড়া মূল্যে বিক্রি হচ্ছে নিত্য প্রয়োজনীয় এ ভোগ্যপণ্যটি। সম্প্রতি ভারত বাংলাদেশে পেঁয়াজ রপ্তানি বন্ধের পর থেকে সংকটের শুরু। ইতোমধ্যে মিয়ানমার, মিশর ও তুরস্ক থেকে আমদানি করা পেঁয়াজ এসেছে বাংলাদেশে। দেশের বাজারে এমন সংকট মোকাবিলায় এবার পাকিস্তান থেকে পেঁয়াজ আমদানি করছে বাংলাদেশ। দীর্ঘ ১৫ বছর পর দেশটি থেকে বাংলাদেশের বাজারে আসছে পেঁয়াজ।

শনিবার (৯ নভেম্বর) পাকিস্তানের বাণিজ্য উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (টিডিএপি) এক কর্মকতার বরাত দিয়ে এমন সংবাদ প্রকাশ করে পাকিস্তানি সংবাদমাধ্যম দ্য নিউজ ইন্টারন্যাশনাল।

টিডিএপির ওই কর্মকর্তা জানান, ১২টি কন্টেইনারে বাংলাদেশে পাঠানো হবে পেঁয়াজ। এতে বলা হয়, করাচিভিত্তিক প্রতিষ্ঠান রোশান এন্টারপ্রাইজ বাংলাদেশে ৩০০ মেট্রিক টন পেঁয়াজ রপ্তানির আদেশ পেয়েছে। এ বিষয়ে বাংলাদেশের তাশো এন্টারপ্রাইজের সঙ্গে একটি চুক্তি হয়। সে অনুযায়ী প্রতি টন পেঁয়াজ ৬০০ ডলারে বাংলাদেশে রপ্তানি করা হবে।

তিনি জানান, ভারত বাংলাদেশে পেঁয়াজ রপ্তানি বন্ধ করার পর পাকিস্তানের সামনে বাণিজ্য বৃদ্ধির বড় সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। এ বিষয়ে দুই দেশের মধ্যে সরকার পর্যায়ে আলোচনায় প্রস্তুত রয়েছেন তারা।

প্রসঙ্গত, ২০০৫ সালে দুই দেশের মধ্যে যৌথ বাণিজ্য কমিশনের (জেইসি) শেষ বৈঠক হয়। এরপর দীর্ঘ ১৫ বছর পর্যন্ত দেশটির সঙ্গে বাণিজ্যের নতুন ক্ষেত্র তৈরি হয়নি। অপরদিকে বাংলাদেশের বাজারে প্রতি কেজি পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ১০০ থেকে ১২০টা কেজি দরে। পাইকারি ব্যবসায়ীরা তুরস্ক ও মিশরের পেঁয়াজ প্রতি কেজি ৫৫ থেকে ৬০ টাকার মধ্যে বিক্রির ঘোষণা দিলেও খুচরা বাজারে এখনো এর প্রভাব পড়েনি।

শর্টলিংকঃ

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।