ছয় মাসও গেল না

বিনোদন ২৬ এপ্রিল ২০২০ : শোবিজ অঙনের সবচেয়ে আলোচিত নাম রাফিয়াত রশিদ মিথিলা। বিশেষ করে গত কয়েক মাস। তাহসানের সাথে ঘর বাঁধার পর দারুণ এক রসায়ন। হুট করে সেই ঘর ভেঙে যাওয়া। নতুন করে মিথিলার স্বপ্ন সাজানো। এসব নিয়ে নিয়মিতই খবরের শিরোনাম হয়েছে। আজ যখন সারা বিশ্ব কাঁপছে করোনায়। যখন পাড়া মহল্লায় চলছে করোনা প্রতিরোধের মাইকিং। কিংবা সামাজিক দূরত্ব মেনে প্রাণঘাতী ভাইরাসের কবল থেকে বাঁচার নানাবিধ নির্দেশনা। তখনই আবার আলোচনার টেবিলে মিথিলা।

বাংলাদেশের একজন জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী, গীতিকার, সুরকার, অভিনেত্রী এবং মডেল মিথিলা। কর্মজীবন শুরু করেন একজন পেশাদার উন্নয়নকর্মী হিসাবে। শিক্ষাজীবন শেষে তিনি ব্র্যাকে একজন গবেষক হিসাবে যোগদান করেন। এরপর তিনি আমেরিকায় গিয়ে মিনিয়াপোলিস পাবলিক স্কুল ডিসট্রিক্টে কাজ করেন। এক বছর সেখানে থাকার পর তিনি বাংলাদেশে ফিরে এসে স্কলাস্টিকায় হাই স্কুলে কাজ শুরু করেন। তিনি নর্দান বিশ্ববিদ্যালয়ে লেকচারার হিসেবেও কর্মরত ছিলেন। অভিনয়েও সমানভাবে কুড়িয়েছেন সুনাম। ২০০৬ সালের দিকে সঙ্গীতশিল্পী তাহসানের সঙ্গে বিয়ে হয় মিথিলার। বিয়ের পরে উভয়ে যৌথভাবে বের করেছেন একাধিক গানের এ্যালবাম। ২০১৩ সালে এই দম্পতির ঘর আলো করে আসে একমাত্র কন্যাসন্তান আইরা। কিন্তু হঠাৎ গণ্ডগোল। এক নিমেষের ঝড়ে সব স্বপ্ন ভেঙে ছারখার। ২০১৭ সালের জুলাইয়ে তাদের বিবাহ বিচ্ছেদ ঘটে। পরে ২০১৯ সালের ৬ ডিসেম্বর ভারতের অন্যতম জনপ্রিয় চলচ্চিত্র নির্মাতা সৃজিত মুখার্জিকে বিয়ে করেন মিথিলা। এ দিকে তাহসানও তার নিজের মতো করে সময় কাটাচ্ছেন। নতুন করে ভাবছেন! এরিমাঝে অবশ্য তাহসানকে অনেকটাই ভুলে গেছেন মিথিলা। তাকে নিয়ে কোনো রকম মন্তব্যও করেন না তিনি। তারই মাঝেও মিথিলাকে নিয়ে নয়া গুঞ্জন। করোনার কারণে নাকি সৃজিতের সঙ্গে দূরত্ব সৃষ্টি হয়েছে। সূত্রের খবর, কলকাতায় সৃজিত কোথায় কোথায় যাচ্ছেন, কী করছেন, এসব নিয়েও সন্দেহ তৈরি হচ্ছে। এ নিয়ে কয়েক দফা কথা কাটাকাটিও নাকি হয়েছে দুজনের। তাতেই আবার জল্পনা কল্পনা। তবে কী ৬ মাস পার না হতেই ভিন্ন সুর। এ দিকে মিথিলাকেও কেন জানি উদাসীনই মনে হচ্ছে। দুই দিনের মধ্যে নিজের ইনস্টাগ্রামে তিনটা স্ট্যাটাস দেন তিনি। যার মধ্যে ফুটে উঠেছে কিছু ব্যতিক্রমী ইঙ্গিতও। সবমিলে এই জুটি নিয়ে শোবিজ পাড়া আবারও উত্তপ্ত।

শর্টলিংকঃ

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।