ভারতের অভিযোগ

ভেজাল করোনা টেস্ট কিট দিয়েছে চীন

ভোরের বার্তা ২৭ এপ্রিল ২০২০ : ”চীনের দুটি কোম্পানি ভারতে করোনাভাইরাস পরীক্ষার ত্রুটিপূর্ণ কিট সরবরাহ করেছে।” এ ইস্যুতে দেশটিতে তীব্র বিতর্কের মাঝে সোমবার বিজেপি সরকার বলেছে, যেসব চীনা কোম্পানি ত্রুটিপূর্ণ কোভিড-১৯ টেস্ট কিট সরবরাহ করেছে। তাদেরকে এক রুপিও দেয়া হবে না। একই সঙ্গে চীনা কোম্পানির করোনা টেস্ট কিটের অর্ডারও বাতিল করেছে ভারত।”

”দেশটির ক্ষমতাসীন সরকার বলছে, চীনের গুয়াংঝু ওন্ডফো বায়োটেক এবংঝুহাই লিভজোন ডায়াগনোস্টিকসের তৈরি কিটকে কাজের অযোগ্য হিসাবে ঘোষণা করেছে ইন্ডিয়ান কাউন্সিল অফ মেডিক্যাল রিসার্চ (আইসিএমআর)।”

”কেন্দ্রীয় সরকার দেশটির সব রাজ্য এবং হাসপাতালকে এ দুই কোম্পানির সরবরাহকৃত করোনা কিট ব্যবহার বন্ধের আহ্বান জানিয়েছে। এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, করোনা কিট তৈরির জন্য একশ ভাগ অগ্রিম অর্থ পরিশোধের শর্ত থাকলেও ভারত সরকার চীনা ওই দুই কোম্পানির পেছনে আর একটি রুপিও নষ্ট করবে না।”

”চলতি মাসের শুরুর দিকে ভারতে সরকারিভাবে ৫ লাখ র্যাপিড অ্যান্টি বডি টেস্ট কিট এবং আরএনএ এক্সট্রাকশন কিট তৈরি করা হয়। ওই সময় ইন্ডিয়ান কাউন্সিল অফ মেডিক্যাল রিসার্চ সব হটস্পট অথবা যেসব এলাকায় রোগী বেশি রয়েছে; সেসব স্থানে প্রত্যেক নাগরিকের করোনা পরীক্ষার সুপারিশ করলে কিটগুলো সারাদেশে বিতরণ করা হয়।”

”নিয়মিত আরটি পিসিআর কিটে পরীক্ষার গতি ধীর হওয়ায় ফাস্ট ট্র্যাক কিট ব্যবহার করার সিদ্ধান্ত নেয় ভারত। তবে এই পরীক্ষা ল্যাবরেটরিতে করতে হবে বলে জানানো হয়। কিন্তু দেশটির অনেক রাজ্যে পর্যাপ্ত পরিমাণ পরীক্ষার ব্যবস্থা নেই।”

”নতুন টেস্ট কিটের ব্যাপারে রাজস্থান, পশ্চিমবঙ্গসহ আরও কয়েকটি রাজ্য অভিযোগ করে বলেছে, নতুন টেস্ট কিটে পরীক্ষার সঠিক ফলের হার মাত্র ৫ দশমিক ৪ শতাংশ। দেশটির বিরোধীদলগুলো সরকারের করোনা টেস্ট কিট কেনা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছে।”

”আইসিএমআরের সূত্রের বরাত দিয়ে এনডিটিভি বলছে, ফলাফল নিয়ে সন্দেহ থাকলেও রাজ্যগুলোর বারবার অনুরোধ এবং দ্রুতগতির ও সস্তা হওয়ার কারণে আরটি পিসিআর কিটের বদলে র্যাপিড টেস্ট কিট ব্যবহারে রাজি হয়েছে আইসিএমআর।”

শর্টলিংকঃ

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।