খালেদা জিয়া ও গয়েশ্বরের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা

খালেদা জিয়া ও গয়েশ্বরের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানাভোরের বার্তা ডেস্ক : নড়াইলে পৃথক দুটি মানহানির মামলায় বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া ও দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়ের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন আদালত। আজ বুধবার বিকেলে নড়াইল সদর আমলি আদালতের বিচারক জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আমাতুল মোর্শেদা এই আদেশ দেন। মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের সংখ্যা নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্যের অভিযোগে খালেদা জিয়া এবং শহীদ বুদ্ধিজীবীদের নির্বোধ বলার অভিযোগে গয়েশ্বর চন্দ্র রায়ের নামে নড়াইলে করা পৃথক দুটি মামলায় এই গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন আদালত।

মামলার বাদী কালিয়া উপজেলার পাঁচগ্রাম ইউনিয়নের যাদবপুর গ্রামের শেখ আশিক বিল্লাহ মামলায় উল্লেখ করেন যে, গত ২০১৫ সালের ২১ ডিসেম্বর সন্ধ্যায় ঢাকার একটি সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বেগম খালেদা জিয়া মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে ৩০ লাখ শহীদদের সংখ্যা এবং বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে নিয়ে বিরূপ মন্তব্য করেন। এ বিষয়টি বাদী ও সাক্ষীরা ২২ ডিসেম্বর বিভিন্ন পত্রিকায় পড়ে মারাত্মকভাবে ক্ষুব্ধ হন এবং এক কোটি টাকা মানহানি হয়েছে মর্মে ২০১৫ সালের ২৯ ডিসেম্বর নড়াইল আমলি আদালতে মামলা দায়ের করেন। এই মামলায় বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে আসামি করা হয়।

এছাড়া একই ব্যক্তি বাদী হয়ে গত ২০১৫ সালের ২৫ ডিসেম্বর ঢাকার একটি অনুষ্ঠানে গয়েশ্বর চন্দ্র রায় শহীদ বুদ্ধিজীবীদের নিয়ে বিরূপ মন্তব্য করার অভিযোগে ২০১৫ সালের ২৯ ডিসেম্বর নড়াইল সদর আমলি আদালতে আরেকটি মামলা দায়ের করেন। মামলা দুটির সমন জারি হয়ে ফেরত আসায় এবং আসামিরা আদালতে উপস্থিত না হওয়ায় তাদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন। নড়াইল আদালতের অতিরিক্ত পিপি অ্যাডভোকেট সঞ্জীব কুমার বসু বলেন, ‘গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির পর আসামিরা আদালতে হাজির না হলে হুলিয়া বা মালক্রোকের আদেশ হতে পারে।’

শর্টলিংকঃ

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।