কুড়িগ্রাম-২; প্রচারণায় এগিয়ে মহাজোট

কুড়িগ্রাম-২ আসনে শেষ মহুর্তে নির্বাচনী প্রচারনা জমে উঠেছে। প্রকাশ্য নির্বাচনী প্রচার-প্রচারনায় মহাজোট এগিয়ে থাকলেও গ্রামেগঞ্জে জনসংযোগ ও মতবিনিময়ে পিছিনে নেই ঐক্যফ্রন্ট। প্রতিযোগীতায় এগিয়েছে হাতপাখাও। এরই মধ্যে এলাকার উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি নিয়ে ইস্তেহার ঘোষণা করেছেন প্রার্থীরা।

সরেজমিনে জানা গেছে, শেষ মহুর্তে দিনরাত চলছে নির্বাচনী গণসংযোগ। সকালে সূর্যদয়ের সাথে সাথে প্রার্থীরা নিজে ও তাদের নেতা কর্মী সমর্থকরা বিভিন্ন গ্রামে গঞ্জে উঠান বৈঠক,পথ সভা সহ বিভিন্ন ভাবে গণসংযোগ করছেন। গভীর রাত পর্যন্ত চলছে গনসংযোগের কাজ। গ্রামেগঞ্জে চায়ের দোকান-পানের দোকানে গভীর রাত পর্যন্ত বিভিন্ন প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে চলছে ভোটালাপ। দুপুর থেকে রাত পর্যন্ত মাইকের আওয়াজে মুখর হয়ে থাকছে গ্রাম-শহর। প্রকাশ্য প্রচার-প্রচারনায় এগিয়ে রয়েছে মহাজোট প্রার্থী লাঙ্গল প্রতীকের পনির উদ্দিন আহমেদ। ঐক্যজোট প্রার্থী ধানের শীষ প্রতীকের মেজর (অবঃ) আমসাআ আমিনের প্রকাশ্য মিছিল-সমাবেশ তেমন একটি পরিলক্ষিত না হলেও গ্রাম থেকে গ্রামান্তর ছুটছেন তিনিও তার নেতাকর্মী সমর্থকরা। ইদানিং ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের হাত পাখা প্রতীকের প্রার্থী মোঃ মোকছেদুর রহমানের সমর্থনও বেড়েছে গ্রাম-গঞ্জে।

নির্বাচনের বিষয়ে কথা হলে মহাজোট প্রার্থী লাঙ্গল প্রতীকের আলহাজ্ব পনির উদ্দিন আহমেদ জানান, উন্নয়নের ধারাবাহিকতা অব্যাহত রাখতে আবারো মহাজোট ক্ষমতায় আসা প্রয়োজন। আমি কুড়িগ্রাম-২ আসনে মহাজোটের প্রার্থী হিসেবে মনে করি কুড়িগ্রামের জনগন এখন অনেক সচেতন,আমরা জয়ী হবো-ইনশোআল্লাহ।

ঐক্যফ্রন্ট প্রার্থী গণফোরামের মেজর জেনারেল (অবঃ) আমসা-আ-আমীন জানান, গণতন্ত্র পূনরুদ্ধারে ঐক্যফ্রন্ট ক্ষমতায় আসা জরুরী। এক্ষেত্রে কুড়িগ্রাম-২আসনে নির্বাচনী ফলাফলে আমরা সফল হবো বলে আশাবাদী।

এদিকে আসন্ন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ২৬-কুড়িগ্রাম-২ আসনে বাসদ থেকে মই প্রতীকে মোনাব্বর হোসেন,স্বতন্ত্র প্রার্থী সিংহ প্রতীকে আবু-সুফিয়ান,বিকল্পধারা বাংলাদেশ প্রার্থী কুলা প্রতীকে আবুল বাশার,বাংলাদেশ কমিউনিস্ট পার্টির কাস্তে প্রতীকে উপেন্দ্র নাথ এবং এনপিপি’র আম প্রতীকে আব্দুর রশিদ প্রতিদ্বন্ধীতা করছেন। মাঝে মধ্যে এসকল প্রার্থীদেরও মাইকিং এবং নির্বাচনী প্রচারনা চালাতে দেখা গেছে।

শর্টলিংকঃ

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।