টাঙ্গাইল প্রেসক্লাব ৯ উইকেটে জয়লাভ

চার ছক্কাই ক্রিকেট খেলার সব সৌন্দর্য নয়, ক্রিকেট খেলার আসল সৌন্দর্য হলো সিঙ্গেল করে খেলে রান করা। টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের দক্ষ ও পরিশ্রমী অলরাউন্ডার অধিনায়ক ইফতেখারুল অনুপম দেখিয়েছেন কিভাবে সিঙ্গেল করে ক্রিকেটে সহজ ভাবে জয়লাভ করা য়ায়। ব্যাটিং, বোলিং ও আর চমৎকার ফিল্ডিং এর চমৎকার উদাহরন ইফতেখারুল অনুপম। আর পাশে যদি থাকে দক্ষ সেনাপতি, তাহলে বিজয় নিশ্চিত। টাঙ্গাইল প্রেসক্লাব ১৩৫ রানের জয়ের বন্দরে ছুটতে গিয়ে প্রথমেই ১ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে। যা থেকে শামীম আল মামুনকে নিয়ে অনুপম নান্দনিক ক্রিকেট খেলে টাঙ্গাইল প্রেসক্লাব আন্তঃ উপজেলা ক্রিকেট ফাইনালে ৯ উইকেটে কালিহাতী প্রেসক্লাবকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ান টাঙ্গাইল প্রেসক্লাব।

গত ১৯ ফেব্রুয়ারী মঙ্গলবার বিকালে টাঙ্গাইল স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত টাঙ্গাইল প্রেসক্লাব আয়োজিত টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলার পর প্রধান অতিথি হিসেবে পুরস্কার বিতরন করেন টাঙ্গাইল জেলা প্রশাসক শহীদুল ইসলাম। এ সময় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন টাঙ্গাইল পৌরসভার মেয়র জামিলুর রহমান মিরন, জেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারন সম্পাদক মির্জা মঈনুল হোসেন লিন্টু, জেলা তথ্য অফিসার কাজী গোলাম আহাদ ও টুর্নামেন্টের সদস্য সচিব ইফতেখারুল অনুপম।

টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সভাপতি জাফর আহমেদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন প্রেসক্লাবের সাধারন সম্পাদক কাজী জাকেরুল মাওলা। ফাইনাল খেলায় টস জয়ী কালিহাতী প্রেসক্লাব প্রথমে ব্যাটিং করে ২০ ওভারে ৫ উইকেট হারিয়ে ১৩৪ রান করে। দলের পক্ষে ফারুক হোসেন সর্বোচ্চ ৪১ বলে ৪৯ রান করে। বিজয়ী দলের সুমন কুমার রায় ২১ রানে ২টি উইকেট দখল করে। জবাবে টাঙ্গাইল প্রেসক্লাব শুরুতেই শুন্য রানে মালেক আদনানের উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে। এরপর অধিনায়ক ইফতেখারুল অনুপম ও শামীম আল মামুন ধীরে ধীরে সিঙ্গেল করে রানের চাপ সামাল দেন। এবং পরবর্তীতে চার ছক্কা মেরে ১৯.১ ওভারে ১৩৮ রান করে বিজয় নিশ্চিত করে।

দলের পক্ষে ইফতেখারুল অনুপম ৫৫ বলে অপরাজিত ৫৯ ও শামীম আল মামুন ৫৮ বলে অপরাজিত ৫৬ রান করে। বিজিত কালিহাতী প্রেসক্লাবের একমাত্র উইকেটটি দখল করে আনিসুর রহমান শেলি। টুর্নামেন্টে টাঙ্গাইল প্রেসক্লাব দলের ইফতেখারুল অনুপম সর্বোচ্চ রান (১৪৮রান) , টুর্নামেন্টের সেরা খেলোয়াড় এবং ফাইনালের ম্যান অব দ্যা ম্যাচের পুরস্কার অর্জন করে। এছাড়া ১ম সেমিফাইনালে কালিহাতী প্রেসক্লাবের ফারুক হোসেন ও দ্বিতীয় সেমিফাইনালে মির্জাপুর প্রেসক্লাবের কাউসার হোসেন ম্যান অব দ্যা ম্যাচ নির্বাচিত হয়। খেলায় আম্পায়ার ছিলেন রবিন সরকার ও সুমন সরকার।

শর্টলিংকঃ

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।