ড্রাগন চাষে লাভবান ইউছুপ আজাদ

এলাকায় ড্রাগন ফলের পরিচিতি না থাকলেও চাষ করে আর্থিকভাবে লাভবান হচ্ছে বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি সদরের ইউছুপ আজাদ মুন্না। বর্তমানে তার দেখাদেখি এলাকার অনেক কৃষকড্রাগন চাষে আগ্রহী হয়ে উঠেছে। ড্রাগন চাষের বাগানের পাশাপাশি মুন্না গড়ে তোলেছেন নারিকেল, লেবুসহ অন্যান্য বাগান।

জানা গেছে, ২০১৬ সনের জুন মাসে নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা সদরের আদর্শগ্রাম এলাকায় ৪০ শতক জায়গার উপর চাষ শুরু করেন মুন্না। শুরুতে উপজেলা হর্টিকালচার সেন্টার থেকে তাকে চারা ও খুটি সরবরাহ করা হয়।

বর্তমানে এই বাগানে ৪০টি খুটিতে লাগানো ১৯০টি চারাই ফলন ধরেছে। প্রতি কেজি ড্রাগন ৫০০-৭০০ টাকায় বিক্রি হয়।

তরুণ কৃষক ইউছুপ আজাদ মুন্না জানান, “ইতোমধ্যে বাগান থেকে ৪০কেজি ড্রাগন বিক্রি করেছি” আরো ১২০কেজি চারা সংগ্রহ করা যাবে। লাভজনক ড্রাগনের এই চাষ করার জন্য অন্যান্য কৃষকদেরও আহ্বান জানান তিনি।

উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অফিস সূত্র জানায়, এককালীন বিনিয়োগ করে দুই যুগ ধরে আয়ের উৎস গড়া যায় এই ড্রাগনের বাগান থেকে। ড্রাগন ফল প্রচুর আলো পছন্দ করে। পানি জমে না এমন উঁচু জমিতে এ ফলের চাষ করা ভালো। শুষ্ক মৌসুমে অবশ্যই সেচ ও বর্ষা মৌসুমে নিষ্কাশনের ব্যবস্থা করতে হবে।

সরেজমিনে কথা হলে নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা কৃষি অধিদপ্তরের সদর ব্লকের উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা মুহিবউল্লাহ জানান- মুন্না একজন উদ্যোগী কৃষক। হর্টিকালচার সেন্টারের সহযোগিতায় সে বাগানটি গড়ে তোলেছে। উপজেলা কৃষি বিভাগ থেকেও তাকে সর্বাত্তক সহায়তা দেওয়া হচ্ছে। এই ফলটি এলাকায় আরো সম্প্রসারিত হবে বলে মনে করছেন তিনি।

শর্টলিংকঃ

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।