৮ তারিখেও সার্ভার জটিলতা

বেতন পাননি ১১ দপ্তরের সরকারী কর্মচারীরা

সার্ভার জটিলতার কারনে ৮ তারিখেও বেতন পাননি কুড়িগ্রাম জেলার ৯ উপজেলার ১১টি সরকারী দপ্তরের কর্মকর্তা কর্মচারীরা। গত জুন মাসের বেতন জুলাই মাসের ৮ তারিখেও ছাড় না দেয়ায় কিছুটা হতাশ হয়ে পড়েছেন তারা।

যে বিভাগগুলো বেতন ভাতা পাননি তাদের মধ্যে রয়েছে, শিক্ষা, ভুমি, পুলিশ,স্বাস্থ্য, ফায়ার সার্ভিস, পৌরসভা, ঠিকাদারদের জামানত ইত্যাদী।

জেলা হিসাব রক্ষন কর্মকর্তার অফিস সুত্রে জানা গেছে, মহাহিসাব রক্ষন বিভাগের ট্রেজারী সংক্রান্ত লেনদেন ১৩ডিজিটে করা হতো। কিন্তু ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার লক্ষে তা পরিবর্তন করে ৫৬ডিজিট চালু করা হয়েছে। এজন্য সার্ভারে সমস্যা হওয়ার কারনে বিলম্ব হচ্ছে।

নাগেশ্বরী উপজেলার সেনপাড়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক আশরাফুল আলম জানান, ৭দিন আগে বিল জমা দিয়েও আজও পাইনি।

নাগেশ্বরী থানার ওসি জাকিরুল ইসলাম চৌধরী ও উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা নির্মলেন্দু রায় মানিক বলেন, নিয়মানুযায়ী মাসের ১/২তারিখে মাসিক বেতন পেতাম কিন্তু ৮দিন পেরিয়ে গেলেও বেতন পাইনি। ফলে গরীর কনেষ্টবল ও কর্মচারীরা খুবই অসুবিধায় পড়েছে। ভিতরবন্দ পল্লিস্বাস্থ্য কেন্দ্রের ডাঃ আব্দুল জলিল জানান, বেতন না পাওয়ায় আমার অফিসের পিয়ন মহসীন আলীকে রোববার ১হাজার টাকা ধার দিতে হয়েছে।

এলজিইডি ঠিকাদার শফিউল আলম জানান, জামানত ফেরৎ নিতে ট্রেজারী অফিসে গেলে হিসাব রক্ষন অফিসের অডিটর বলেন, ট্রেজারী বিভাগের সার্ভেয়ারে জটিলতা দেখা দেয়ায় জামানতসহ ১১টি সরকারী দপ্তরের টাকা ছাড় করা যাচ্ছে না।

নাগেশ্বরী উপজেলা হিসাব রক্ষন কর্মকর্তা ছাইদুল হক বলেন, চলতি অর্থবছরে মহাহিসাব রক্ষন বিভাগের ট্রেজারী সংক্রান্ত লেনদেন ১৩ডিজিটে করা হতো এবার তা পরিবর্তন করে ৫৬ডিজিট চালু করা হয়েছে । এ কারনে সার্ভেয়ারে সব বিভাগের কোর্ড আসছে না। সার্ভারের কাজ চলছে।

জেলা হিসার রক্ষন কর্মকর্তা আমিনুল ইসলাম জানান, বর্তমান সরকারের ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার লক্ষে ২০১৮-২০১৯ অর্থ বছরে লেনদেনের জন্য নতুন ডিজিট চালু করতে সার্ভারের কাজ করা হয়েছে। এজন্যই একটু বিলম্ব হয়েছে। এ অবস্থা শুধু কুড়িগ্রাম জেলার নয়, সারা দেশের। তবে সার্ভার এখন ঠিক হয়েছে। বিভিন্ন সরকারী বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের অর্থ ছাড় দেয়া শুরু হচ্ছে।

শর্টলিংকঃ

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।