নেশা যাতীয় কিছু খাওয়িয়ে বধ্য করা হয়েছে

যুবলীগ নেতা সুমনের সমকামিতার ভিডিওর পর অডিও রেকর্ড

রাজশাহী মহানগর যুবলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক যুবলীগ নেতা তৌহিদুল হক সুমনের নামে প্রচার করা সমকামিতার ভিডিও চিত্রটি সুমনেরই। তবে নেশা যাতীয় কিছু খাওয়িয়ে সমকামিতায় বাধ্য করা হয়েছে বলে শ্বীকার করেছে রাজশাহী মহানগর যুবলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক তৌহিদুল হক সুমন। এমন একটি অডিও রেকর্টে যুবলীগ নেতা সুমন ও তার এক মামার সাথে কথা বলার সময় এমন কথা স্বীকার করেন তিনি। এই কথাকোপনের অডিও রেকর্ডে যুবলীগের এক নেতাকে অর্থের বিনিময়ে বিষয়টি নিয়ে বাড়াবাড়ি করতে বারণও করেন এই যুবলীগ নেতা সুমন।
জানা যায়, গত ১২ এপ্রিল রাতে এই নেতার একজন যুবকের সঙ্গে যৌনচারে লিপ্ত হওয়ার ঘটনার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়লে রাজনৈতিক অঙ্গনে শুরু হয় তোলপাড়। এরপর বিষয়টি ধামাচাপা দিতে কয়েক লাখ টাকা এরই মধ্যে ব্যয়ও করেছেন তিনি। পরে বিপুল অংকের টাকায় রফা-দফা হয়ে ফেসবুক থেকে সেই দৃশ্য সরিয়ে নেয়া হলেও রাজশাহীর স্থানীয় গনমাধ্যম কর্মীরা বিষয়টি নিয়ে বিভিন্ন অনলাইন পত্রিকা,স্থানীয় দৈনিক ও জাতীয় পত্রীকায় রাজশাহী মহানগর যুবলীগ নেতা সুমনের বিকৃত যৌনাচার নিয়ে সংবাদ প্রকাশ হলে বিষয়টি নিয়ে মহানগর যুবলীগের শীর্ষ নেতাদের মধ্যে চরম ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে । এর পেক্ষিতে গত ২০ এপ্রিল শুক্রবার সন্ধ্যার পর রাজশাহী মহানগর যুবলীগের কার্যনির্বাহী কমিটির এক জরুরি সভায় সমকামিতার অভিযোগে মহানগর যুবলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক তৌহিদুল হক সুমনকে দল থেকে সাময়িকভাবে বহিষ্কার করা হয়। সেই সাথে সুমনকে কেন স্থায়ীভাবে সংগঠনের সব পদ থেকে বহিষ্কার করা হবে না-জানতে চেয়ে ১৫ দিনের মধ্যে কারণ দর্শাতে বলা হয়েছিল। এরই মধ্যে যুবলীগ নেতা তৌহিদুল হক সুমন রাজশাহীর কয়েকটি স্থানীয় পত্রিকায় বিঙ্গাপন আকারে সে নিজেকে নির্দোশ প্রমান করার ব্যার্থ চেষ্টা চালানোর কয়েক দিনের মধ্যে ”নেশা যাতীয় কিছু খাওয়িয়ে সমকামিতায় বাধ্য করা হয়েছে” বলে এমন যুবলীগ নেতা সুমনের অডিও রেকর্ড প্রচারে ফের তোলপাড় শুরু হয়েছে রাজশাহীর রাজনৈতিক অঙ্গনে। এমন নোংরা কর্মকান্ডে কেন তাকে দল থেকে এখন প্রর্যন্ত স্থায়ী ভাবে বহিস্কার করা হচ্ছে না এ নিয়ে ক্ষোব প্রকাশ করেছেন স্থানীয় আওয়ামীলীগ ও যুবলীগের নেতা কর্মীরা ।
তারা বলেন, এমন ঘৃণিত ব্যক্তিদের নিয়ে দল ভারি করার দরকার নাই। যাদের কারণে দলের নাম বদনাম হয়, মানুষ কষ্ট পায়, ভয় পায় তাদেরকে আওয়ামী লীগের মতো ঐতিহ্যবাহী দলে কোন প্রয়োজন নাই বলে জানান তারা।
এ বিষয়ে রাজশাহী মহানগর যুবলীগের যুগ্ন-সম্পাদক ও সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক তৌহিদুল হক সুমনের ব্যাবহৃত ০১৭১১-৩২৩৮৪৭ মোবাইল নম্বরে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে ফোনটি বন্ধ পাওয়া যায়।
এ বিষয়ে জানতে রাজশাহী মহানগর যুবলীগের সভাপতি রমজান আলীর মোবাইল ফোনে একাধিকবার ফোন করেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি ।

শর্টলিংকঃ

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।